চট্টলা এক্সপ্রেস ডেক্স:
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন কাঠামো অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে গ্রেড-১-এর মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত মূল বেতন ২০ হাজার টাকা।
নতুন বেতন কাঠামোর অন্যতম উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা। প্রথমবারের মতো এই ভাতা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় যোগ্য সরকারি কর্মচারীরা প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।
ঘোষণার অপেক্ষায় ছিল সরকারি চাকরিজীবীরা
সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন, নতুন পে-স্কেলের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনো সময় এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
এর আগে গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৯ম বেতন কমিশনের সুপারিশ ও নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে চলছে। কাজ শেষ হওয়ার পর তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর এখন নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত প্রত্যাশার বড় একটি অংশ পূরণ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
সিএক্স/রয়েল






