মাতারবাড়ীতে ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে পরিবেশবান্ধব ‘এ গ্রীন ডকইয়ার্ড অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি’ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এটি হবে গভীর সমুদ্রবন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক জাহাজ মেরামত কেন্দ্র, হাজার হাজার দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ব্লু-ইকোনমি সচল করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।সম্পূর্ণ ল্যান্ডলর্ড মডেলের অধীনে সরকারি জমির মালিকানা সুরক্ষিত রেখে বেসরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে এই মেগা-প্রকল্প।সোমবার (১৩ জুলাই) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের চ্যানেল ও অপারেশনাল সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং দেশের সামুদ্রিক অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনার লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ‘মাতারবাড়ী গ্রীন ড্রাইডক অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি’ প্রকল্পের Unsolicited Proposal নীতিগত অনুমোদন পরবর্তী দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এই যুগান্তকারী প্রকল্প গ্রহণের বাস্তবমুখী সিদ্ধান্তের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং এতে প্রশাসনিক নীতিগত সমর্থন দেওয়ার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় প্রশংসার দাবিদার।
রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬ অনুযায়ী ডকইয়ার্ড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত হলেও, প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বিবেচনা করে গত ৭ জুন অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় শিল্প মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পে তাদের ‘অনাপত্তি’ দিয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়নের পথ সুগম হলো।
অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এআইএস মেরিন ইনভেস্টমেন্টস পিটিওয়াই লিমিটেড এই প্রকল্পের প্রধান অর্থায়নকারী হিসেবে কাজ করছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ‘ল্যান্ডলর্ড মডেল পিপিপি’ কাঠামোর অধীনে প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ২০০ একর জমি এবং স্থাবর সম্পত্তির শতভাগ মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। চুক্তি শেষে সব অত্যাধুনিক অবকাঠামো স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় হস্তান্তর হবে।






