মহেশখালীর একটি এলএনজি টার্মিনালের দ্বিতীয় বয়লার চালু করতে সাময়িকভাবে বর্তমান বয়লার বন্ধ রাখতে হবে। এ কারণে আগামী কয়েক দিন দেশে গ্যাস সরবরাহের সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের সামসন এইচ চৌধুরী হলে আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট: সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) সেমিনারটির আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহেশখালীর একটি এলএনজি টার্মিনালের একটি বয়লার ইতোমধ্যে চালু করা হয়েছে। দ্বিতীয় বয়লারটি চালু করার সময় প্রথম বয়লারটি বন্ধ রাখতে হবে। ফলে কয়েক দিনের জন্য গ্যাস সরবরাহে সাময়িক চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দেশে চলমান গ্যাস সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্নের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বিশেষ করে শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, অর্থের সংস্থান থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী রাতারাতি এলএনজি আমদানি বাড়ানো সম্ভব নয়। নতুন একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) চালু করতে সাধারণত ৩০ থেকে ৩৬ মাস সময় প্রয়োজন হতে পারে।
তবে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে নতুন এফএসআরইউ দুই বছরেরও কম সময়ে চালুর লক্ষ্য সরকারের রয়েছে বলে জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি আরও বলেন, দেশে তৃতীয় ও চতুর্থ এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ডবেসড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির জন্য ট্রানজেকশন অ্যাডভাইজার নিয়োগে ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং টার্মিনাল নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য জমিও চিহ্নিত করা হয়েছে।
সিএক্স/রয়েল






