নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী থেকে জিতু চৌধুরী (৩০) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে সদরঘাট নৌ পুলিশ। গত ২২ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আধা ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু এরপর আর বাসায় ফেরেননি। তিন দিন পর রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে কর্ণফুলী নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জিতু চৌধুরী চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানাধীন ২৮ নম্বর দক্ষিণ পাঠানটুলী ওয়ার্ডের গোসাইলডাঙা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা পরিমল চৌধুরী একজন ব্যবসায়ী এবং মায়ের নাম লাভলী চৌধুরী।
নিখোঁজের পর থানায় জিডি
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২২ অক্টোবর রাতে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় জিতু আধা ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি বাসায় ফেরেননি। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে তাঁর নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁরা।
এরপর রোববার বিকেলে কর্ণফুলী নদীতে এক যুবকের মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় সদরঘাট নৌ পুলিশ। পরে সুরতহাল কার্যক্রম শেষে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে
সদরঘাট নৌ পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জিতুকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মৃত্যুর কারণ ঘিরে অপেক্ষা
রাতের বেলায় অল্প সময়ের মধ্যে ফিরে আসার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিন দিন নিখোঁজ থাকা এবং পরে নদীতে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবারের মধ্যে শোক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জিতুর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সিএক্স/রয়েল






